কোন কিছু খুঁজতে চাইলে, বক্সে লিখুন

Sunday, 14 November 2021

সত্য জগতের বাসিন্দা

(যেখানে কেউ মিথ্যা বলেন না।)

এমন একটা জগতের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিবো, যেখানে কেউ মিথ্যা বলেন না। কিন্তু তার আগে-
আমার বাবার দাদারা তিন ভাই। আমরা জানটু মহম্মদ এর পক্ষ। অন্য আর এক পক্ষ দাবী করছেন, তারা আমাদের কাছে জমি পাবেন। এজন্য তারা ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ পত্রে তারা উল্লেখ করেন, আমরা অত্যান্ত দূর্দান্ত, ভূমি দস্যু, জবর দখলকারী আরও ইত্যাদি। অথচ জমি নিয়ে তাদের সাথে মারামারি, কথা কাটাকাটি বা ঝগড়া কিছুই হয়নি। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। ঐ পক্ষের লিডারের সাথে আমার সম্পর্ক আরও বেশী ভালো। আমি নিশ্চিত- অভিযোগে পত্রে লিখেলেও, সে নিজে এটা বিশ্বাস করে না। আমি তার সাথে (লিডারের সাথে) কথা বললাম। তার ভাষ্য, এসব কথা না লিখলে অভিযোগটা শক্ত হবে না। অভিযোগ লিখার সাহায্যকারী তাকে এসব কথা লিখে দিয়েছেন। আমরা জবর দখলকারী, ভূমি দস্যু এটা সে মনে করেন না। সে নিজে মনে না করলেও, লিখেছেন। মিথ্যা হলেও এটাকে সে মিথ্যা বলছেন না। এবং অনেকেই বিশ্বাস করেন- লেখার সময় এমন করে লিখতে হয়। তা না হলে অভিযোগটা শক্ত হবে না। ‍অনেক শিক্ষিত লোকও এই ধারনায় বিশ্বাস করেন।

Friday, 12 November 2021

প্রেগন্যান্সি নাকি অসুস্থ।

অসুস্থতা হলো জীবের সাধারণ প্রক্রিয়ার বাইরে একটা অস্বাভাবিকতা, অক্ষমতা বা স্বাস্থ্যহানি। একজন মানুষের প্রতিদিন গড়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর দরকার। কিন্তু আপনার বারো ঘন্টা ছাড়া হয় না। অথবা আপনি এত চেষ্টা করছেন কোন ক্রমেই তিন চার ঘণ্টার বেশি ঘুমাতে পারছেন না। তাহলে আপনি অসুস্থ। মেয়েদের ক্ষেত্রে আঠাইশ প্লাশ মাইনাস দুই দিন পর পর মাসিক হওয়ার কথা। কিন্তু আপনার কখনো বিশ দিনে হয়, কখনো পঁয়ত্রিশ দিনে হয় অথবা মাসিকেই হয় না, তাহলে আপনি অসুস্থ।আপনি বিয়ে শাদি করেছেন। চার, পাঁচ, আট, নয়, দশ বছর হয়ে গেল। আপনার সন্তান হয় না, তাহলে আপনি অসুস্থ।

Monday, 21 June 2021

একখন্ড জমির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবাদ।

এক খন্ড জমি, যার নাম জমির উদ্দীন। তার মেজাজ বেজায় খারাপ। তার কাছে মরণাস্ত্র থাকলে সে আক্কু অথবা পাক্কুর, যে কোন একজনকে খুন করে ফেলতো এবং তাকে নিয়ে টানাটানির সমাপ্তি ঘটাতো। কিন্তু জমির উদ্দীনের তা নেই। এ নিয়ে জমির উদ্দীনের কষ্ট প্রচুর। আক্কু এবং পাক্কু এরা দুজনে জমিরউদ্দীনকে চাই। জমিরউদ্দীনকে পাওয়ার জন্য এরা গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে মারামারিতে লিপ্ত। আক্কু প্রায় নি:স্ব। বাবার পাওয়া সব সম্পত্তি প্রায় শেষ। সব শেষ করবে, কিন্তু জমির উদ্দীনকে তার চাই চাই। গত দিন আক্কু আর পাক্কু দুজনে চরম মারামারি, এতে তাদের বউ বাচ্চারাও অংশগ্রহন করে। আক্কুর মাথা ফেটে অবস্থা চরম খারাপ। আক্কু মরে যাবে কিন্তু জমীর উদ্দীনকে তার চাই। পাক্কু, আক্কুর চেয়ে অনেক বেশী চালাক। আক্কুকে নিয়ে জমীর উদ্দীনের চিন্তার শেষ নাই। দূর্বলদের সবাই মমতা দেখায়। আক্কু দূর্বল, বোকা এ কারনে হোক অথবা আক্কুর প্রতি ভালবাসা বেশী, যে কারনেই হোক, আক্কুর প্রতি জমীর উদ্দীনের ক্ষোভও প্রচুর। পাক্কুর চালাকির কারনে পাক্কুকে জমীর উদ্দীন কম পছন্দ করে। জমীর উদ্দীন ক্ষিপ্ত হয়ে বিড় বিড় করে আক্কু এবং পাক্কুকে চরম গালিগালাজ করছে। জমীর উদ্দীন বলছে-

Tuesday, 22 September 2020

বুড়ো বাড়ি

An old age home.

আমি একটি বৃদ্ধাশ্রম করতে চাই। যেখানে প্রযুক্তির সব অধুনিক সুবিধা থাকবে। থাকবে প্রতি দশ বছর পর পর রিঅ্যরেন্জ করার সিস্টেম। আমি হবো বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা। সুতরাং নিপুন ছোয়ায় করতে চাই বৃদ্ধাশ্রম। শেষ বয়সের আবাসস্থলটি সবচেয়ে ভালো করার টার্গেট সবারি থাকে। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ বা গ্রহণ সে যাই হোক, তাতো এখানেই ঘটবে। মরার সময় কোনটা ঘটে- শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ নাকি গ্রহন। গ্রহণ হলে সমস্যা নেই কারন সেতো আমার সাথে কবরে যাবে। কিন্তু ত্যাগ হলে সেই তো সাক্ষী হয়ে থাকবে যুগ যুগ। গাফিলাতির সুযোগ নেই। যতদূর সম্ভব ভালো মনোযোগ দিব।

Wednesday, 9 September 2020

বাসা এবং বাড়ীর প্রার্থক্য

স্যার- উত্তরবঙ্গ তো।

# স্যার আমার ছুটি লাগবে, আমি কালকে বাসা যাবো।

# বাসা যাবা তো ছুটি লাগবে কেন?

স্যার উত্তর বঙ্গ তো! ও আসলে বাড়ী যাবে। একজন সহকর্মী তাচ্ছিল্যর সহিত বললো।  
আমার ফ্রেন্ড এবং তার অফিসের কথোকথন, সাথে আমিও ছিলাম। সেই ২০১২ সালে বাসা এবং বাড়ীর পার্থক্যটা বুঝতে পারিনি। কিন্তু উত্তর বঙ্গ কথাটি খুব দাগ লেগেছিল। অনেককে জিঙ্গাসা করেছি কেউ সদুত্তর দিতে পারেনি অথবা উত্তরে আমি সন্তুষ্ট হয়নি। গত কয়েকদিন আগে ‘হামার রানীসংকৈল’ ফেসবুক গ্রুপে বাসা এবং বাড়ীর প্রার্থক্য জানতে চেয়ে পোস্ট দিলাম। সুখের কথা, বেশীর ভাগ প্রার্থক্য জানে।

Thursday, 16 April 2020

আজব নাকি গুজবী খবর

(ময়দার মিল থেকে চাল উৎপাদন, চাল চুরি রোধের ক্ষুদ্র প্রয়াস)
বাংলাদেশে একটি ময়দার মিলের সন্ধান পাওয়া গেছে। মিলটার বিশেষত হচ্ছে এ মিল থেকে চাল উৎপাদন হবে। সবাই মিলে চাল উৎপাদনের জোড় প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। চাল উৎপাদনের কাছাকছি যাচ্ছে, আবার কোন এক অজানা কারনে সিস্টেম লস করছে। ঠিক যেন বাংলাদেশের রাজনীতির আশার মতো। এবার রাজনীতির অমূল পরিবর্তন হবে। পরিবর্তনের কাছাকাছি গিয়ে সিস্টেম লস হয়ে যাচ্ছে। ময়দার মিলের সিস্টেম এবং আমাদের রাজনীতির সিস্টেমের মধ্যে কোথায় যেন একটা গলদ আছে। ফলাফলের কাছাকাছি গিয়েও ফল হচ্ছে না কেন? রাজনৈতিক সিস্টেম একটু বিশ্লেষণ করি, ময়দা মিল থেকে চাল উৎপাদন পরে দেখবোই ইনশাল্লাহ।

বই পড়ুন

একশো বছর আগে প্রকাশিত যে বইটি এখন বাজারে পাওয়া যায় তা ঐ সময়ের সবচেয়ে ভালো বই। বইয়ের লেখক ঐ সময়ের সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ। লেখক তার সর্বোচ্চ মেধা এবং সবচেয়ে ভালো কথা গুলো লেখেন। সুতরাং বই পড়ছেন তো সবচেয়ে জ্ঞানী লোকের সবচেয়ে ভালো কথা গুলো পড়ছেন।